সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বদর আসুক নেমে

★বদর আসুক নেমে★

    _মুহাম্মদ সৈয়দুল হক

   ```````````````````````````````

    ঠক ঠক ঠক চলেছে ওই- 

         বীর নওজোয়ান

    খোদার তরে নবীর বরে 

      জান দিতে কোরবান।


নাই হাতিয়ার, নাই তলোয়ার 

          লাগবে যতখানি

     তবুও যে নাইতো কারো

          একটু পেরেশানি।


     ঈমানী বল, লয়ে সম্বল

           যাত্রা হলো শুরু

   দূর থেকে ওই লাহাবিদের

         আওয়াজ গুরু গুরু।


   কথায় রোযা, কাজে রোযা,

           রোযাময়ী বেশ

     কিন্তু বুকে, চোখে-মুখে

        নুর মদিনার তেজ।


      সেনা নায়ক স্বয়ং নবী

         ভয় কি তবে আর

 এতিম-অবুজ দু’জন শিশুও

        হলো যে সাওয়ার।


    পৌঁছে গেলো বদর পাড়ে

          রাসূল-সাথীগণ

 হাজার লোকের মোকাবেলায়

        তিন’শ তেরো জন!


     হলো শুরু তুমুল লড়াই

           রক্তারক্তি মেলা

 দূর থেকে ঐ হাসেন মালিক

        কে বুঝে তার খেলা।


    নামে মাত্র সৈন্য যাদের

          অস্ত্র রাসূল প্রেম

   তাদের তরে সেই বাঁশরি

       বাজায় প্রেমের হেম।


   ঝাঁকে ঝাঁকে নেমে আসে

        হাজার ফেরেশতা

   এক নিমিষে মুশরেকিরা

            হয়রে হেনস্তা।


    বলহীনা সে বীরের জাতি

           খুঁজে পেলো বল

বলের জোগান, নয়তো কামান

           রাসূল’ই সম্বল।


   অবুজ শিশুর সবুজ ঘাতে

           দু’খন্ড  জাহেল

    ইশকে নবীর তরবারিতে

           বিচ্ছুরা গায়েল।


   অপরাজেয় মুসলিম জাতি

          লয়ে বিজয়-তাজ

  ফিরতেছে ওই- সমর নায়ক

         প্রাণে দোলা-সাজ।


      অল্প কিছু পান করলো

           জান্নাতি ঐ ক্ষীর

  খোদার রাহে বিলীন করলো

           স্বাদের প্রিয় শির।


      শিখন বহু আছে বাকি

           ওহে মুসলমান

     হলো পতন ‘বদর’ ভুলে

          হারালে সম্মান।


      চিন্তাশক্তি বদর হলে

            বাণী চিরন্তন-

      পদে পদে এই বিপদে

          হতো না পতন।


    লাঞ্ছিত এ মুসলিম বিশ্বে

         বঞ্চনা যাক থেমে

   ইহুষ্টানের জোর মুলুকে

        বদর আসুক নেমে।


(★আজকের এই ঐতিহাসিক দিনে সকল বদরী সাহাবাদের প্রতি উৎসর্গ- বেশি বেশি শেয়ার করুন)

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ভাবহীন ভাবনার কবিতা-           তোমরা মোরে প্রেম দিয়ো _______মুহাম্মদ সৈয়দুল হক ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~ আমি চাই না- কেউ আমায় কবি বলুক চাই বটে- কেউ আমায় প্রেমিক বলুক। আমি প্রেম করতে চাই- পৃথিবীর সবার সাথে প্রেমিক হয়ে বাঁচতে চাই- অপ্রেমী এ বিশ্বটাতে। একটু প্রেম দিও মোরে- আমি পৃথিবী দেবো সব কিছুর বিনীময়ে- একটু খানি প্রেম চাবো। ওগো প্রেম! তুমি বড্ড অপয়া- ছোঁও না মোরে খালি পথে ঘুরে বেড়াও- অপ্রেমীর ছায়ানীড়ে। আমি ব্যাটা পুড়ে মরি-                             তুমি করো বাড়াবাড়ি উল্টো পথে দৌড়াদৌড়ি-                            কে শোনে কার রোনাজারি। তোমরা মোরে প্রেম দিয়ো-                           একটু খানি খোঁজ নিয়ো আমি তবে আমায় দেবো-                                 জেনে রেখো ও প্রিয়ো।...

প্রশংসিত ৮

 প্রশংসিত-৮ ১. আকাশে ঘনঘন বিদ্যুতের চমক। আগুনের গোলার মতো আলোর রেখা। তিরের গতিতে ছোটে গিয়ে এক জায়গায় অদৃশ্য। যেন দক্ষ শিকারির তাক করা অলঙ্ঘনীয় অভীষ্ট। মিস হওয়ার সুযোগ-ই নেই। মক্কার আকাশে এমন অগ্নিতিরের গতিবিধি বেড়ে গেছে কিছুদিন ধরে। জিন-শয়তানদের মাঝে চরম হতাশা! আকাশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে পালিয়ে মরছে। আত্মগোপনের চেষ্টায় মগ্ন কেউকেউ। দুষ্টু জিনদের একদলের সাথে অপর দলের সাক্ষাৎ হলো। বন্ধুগণ, ঘটনা কী? আমাদের প্রতি উল্কাবৃষ্টি শুরু হলো কেন হঠাৎ? শয়তানের সাহায্যে ফেরেশতাদের গোপন কথায় আড়িপাতা কঠিন হয়ে পড়েছে ইদানীং। গণকদের কাছে তথ্য সরবরাহ করতে পারছি না। এই কারণে তাদের অত্যাচার সহ্য করতে হচ্ছে। অপরদল শোনালো বিষ্ময়কর দুঃসংবাদ! আপন সম্প্রদায়কে সতর্ক করে বললো—আড়িপাতা বন্ধ করো। “আমরা ফেরেশতাদের মুখে এমন এক কিতাবের পাঠ শুনেছি, যা ইতোপূর্বের কিতাবগুলোকে সত্যায়িত করে এবং সত্য ও সরল পথের দিশা দেয়।” (সুরা ৪৬: ২৯-৩০)। অতঃপর হতাশ জিনসকল হেদায়েতের আশায় মক্কায় নেমে আসতে শুরু করলো… ২. ছোটোখাটো এক পূজোমণ্ডপ। মূর্তির উদ্দেশে সেখানে বাছুর বলি হয়েছে। কাচা মাংসের ভাগ নিতে উপস্থিত মক্কার অন্যতম বীরশার...

রমজান মাহিনা

রমজান মাহিনা —মুহাম্মদ সৈয়দুল হক দ্বারে এসেছে আবার, সেই রহম খোদার রমজান মাহিনা ধরা পেয়েছে আবার খরা পেরিয়ে জোয়ার— রহমত খজিনা। মাফ করিবে খোদায়; হাঁফ ছেড়েছে সবাই সিজদায় পড়ে আজ, পাপ নিয়াছে বিদায় সাফ হয়েছে হৃদয় কোলাহল করে রাজ। ছেড়ে শয়তানি কাম, পড়ে খোদার কালাম, চোখে পর্দা-দখল, হাতে তসবির দান, মুখে জপ সোবহান হাঁকে মসজিদে চল। দেখো জনম-খাদক; যার খাওয়াটাই শখ সদা খাই খাই রব, ডরে এক আল্লার—ঘরে থেকে অনাহার করে সুখ অনুভব। নিয়ে উপাদেয় সব, সবে রয়েছে নিরব পেটে ক্ষুধা-অস্থির— প্রভু দেয়নি আদেশ তাই করে সমাবেশ পড়ে দোয়া-তকবির। রব উঠে তসলিম, ওরে ওরে মুসলিম সম্ভাষে মালায়েক, সব জান্নাতি দ্বার খোলে প্রভু-করুণার ক্ষমে শত নালায়েক। লভে স্বর্গী সুবাস বহে মুক্ত বাতাস পুরো ধরণী অতল শুধু মুসলিম নয় যত ধর্ম ধরায় সেথা মিশেছে সকল।