সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

প্রেমবাজার-মাইজভাণ্ডারি

গাউছুল আযম মাইজভান্ডারির কদম মোবারকে উৎসর্গ---

♥প্রেমবাজার♥

__মুহাম্মদ সৈয়দুল হক

~~~~~~~~~~~~~~~

কেউ দেখে শিরক আবার

কেই দেখে বিদয়াত

কেউবা বলে ভন্ডামি আর

কেউ বলে ইবাদাত।


কেউবা করে হাসি ঠাট্টা

কেউবা আবার মশকরা

কারো চোখে ঈর্ষার আগুন

অপবাদ দেয় মনগড়া।


হক্ব না-হক্বের চিন্তাদ্বারা

বেহক্ব লোকের মুণ্ডুতে

দিন দুপুরে দেয় ফতোয়া

শিরক-বেদাত একসাথে।


কার চোখে কি দেখো ওরে

মাথায় কার বা আসে কি?

আমি দেখি প্রেমের বাজার

প্রেম সকাসু আছে কি?


প্রেমের চোখে প্রেম দেখিবে

আন্ধা চোখে শিরক

পেঁচার চোখে দিন দুপুরে

দেখে কি আর সড়ক?


খোদার ফজল বুঝা সরল

প্রেম থাকিলে মনে

দেখবিরে তুই, তোর ভবিষ্যত

আপন দু-নয়নে।


ভান্ডারি তো ভন্ডামি নয়

ভান্ডার খানা বটে

যাহাই চাইবি পাবি হেথা

চাইলে অকপটে।


আহমদিয়া নাম ধরিয়া

মাঙলে ভিক্ষা তবে

দিন-দুনিয়া ব্রহ্মান্ডের

তুর’ই হবে সবে।


চাইতে জানলে পাবিরে তুই

গুপ্তধন আর প্রিয়রে

কোন সে প্রিয়, চিনতে হবে

অভাগা অ পাগলারে।


না বুঝে তুই আর কতকাল

বইয়ের পাতা উল্টাবি?

কিতাব দাতা থাকতেরে তোর

কিতাব পড়ে লাভটা কি?


যে দিলরে গ্রন্থ তোরে

দোষ খুজিস তার গ্রন্থতেই!

গ্রন্থদাতার চেয়ে কিবা

গ্রন্থখানা হয় শ্রেয়?


আমি হলাম গোলাম তাঁরি

তাঁর কদমেই শির ঠেকাই

শিরক-বেদাত ফতোয়া দিবে

দেখি কে সে কোন ব্যটাই!


মালিক-মুখতার, মুনিব সে যে

সেই যে আমার কান্ডারি

রাখো মোরে গোলাম করি

ওরে দয়াল ভান্ডারি।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

মসলকে আলা হযরত

বিষয়ঃ মসলকে আলা হযরতঃ একটি তাত্ত্বিক পর্যালোচনা। —মুহাম্মদ সৈয়দুল হক শিক্ষার্থী: জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসা। ফলপ্রার্থী: ফাযিল প্রথম বর্ষ ★প্রারম্ভিকাঃ  “তমসা ঘেরা এ দুনিয়ার মানুষ দেখিলো সেদিন পথ দীনের আকাশে উদিল যেদিন ‘মসলকে আলা হযরত’ বতুলতায় ভরা এ উপমহাদেশ পেয়েছে সেদিন দিশা রবিসম সে মসলক-গুণে কেটে গেছে অমানিশা।” যাবতীয় প্রশংসা সেঁ মহীয়ান সত্ত্বা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদেরকে শ্রেষ্ঠ নবির শ্রেষ্ঠ উম্মত হিসেবে কবুলের পাশাপাশি শ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ ইমাম আলা হযরত (রহ.)’র মসলকে কবুল করেছেন। অগুনতি দরুদ ও সালামের নজরানা সেঁ দুজাহানের বাদশা নবি মুহাম্মদ (দ.) এর পাক কদমে, যাঁর অশেষ করুণায় তাঁরই নির্ধারিত যুগের মহান দিকপাল ইমাম আহমদ রেযা খাঁন (রা.)’র মসলকের শামীয়ানায় আমরা আশ্রিত। ইসলামের সকল যুগের সকল সূর্যসন্তানদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালামপূর্বক স্মরণ করছি যাঁর পথ-মত তথা ’মসলক’ নিয়ে লিখতে বসেছি, যুগের সে মহান সংস্কারক, আঁধারে আলোকরশ্মি, দোজকের তাপদাহে জান্নাতি পবন, অথৈ সমুদ্রে জাহাজের কাণ্ডারিতুল্য ইমাম আহমদ রেযা খাঁঁন ব্রেলভী (রা.) কে, যিনি এ পৃথিবীতে না এলে ইসলাম-সূর্য এদ্দিনে হয়ত তাঁর...

প্রশংসিত ৮

 প্রশংসিত-৮ ১. আকাশে ঘনঘন বিদ্যুতের চমক। আগুনের গোলার মতো আলোর রেখা। তিরের গতিতে ছোটে গিয়ে এক জায়গায় অদৃশ্য। যেন দক্ষ শিকারির তাক করা অলঙ্ঘনীয় অভীষ্ট। মিস হওয়ার সুযোগ-ই নেই। মক্কার আকাশে এমন অগ্নিতিরের গতিবিধি বেড়ে গেছে কিছুদিন ধরে। জিন-শয়তানদের মাঝে চরম হতাশা! আকাশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে পালিয়ে মরছে। আত্মগোপনের চেষ্টায় মগ্ন কেউকেউ। দুষ্টু জিনদের একদলের সাথে অপর দলের সাক্ষাৎ হলো। বন্ধুগণ, ঘটনা কী? আমাদের প্রতি উল্কাবৃষ্টি শুরু হলো কেন হঠাৎ? শয়তানের সাহায্যে ফেরেশতাদের গোপন কথায় আড়িপাতা কঠিন হয়ে পড়েছে ইদানীং। গণকদের কাছে তথ্য সরবরাহ করতে পারছি না। এই কারণে তাদের অত্যাচার সহ্য করতে হচ্ছে। অপরদল শোনালো বিষ্ময়কর দুঃসংবাদ! আপন সম্প্রদায়কে সতর্ক করে বললো—আড়িপাতা বন্ধ করো। “আমরা ফেরেশতাদের মুখে এমন এক কিতাবের পাঠ শুনেছি, যা ইতোপূর্বের কিতাবগুলোকে সত্যায়িত করে এবং সত্য ও সরল পথের দিশা দেয়।” (সুরা ৪৬: ২৯-৩০)। অতঃপর হতাশ জিনসকল হেদায়েতের আশায় মক্কায় নেমে আসতে শুরু করলো… ২. ছোটোখাটো এক পূজোমণ্ডপ। মূর্তির উদ্দেশে সেখানে বাছুর বলি হয়েছে। কাচা মাংসের ভাগ নিতে উপস্থিত মক্কার অন্যতম বীরশার...

রমজান মাহিনা

রমজান মাহিনা —মুহাম্মদ সৈয়দুল হক দ্বারে এসেছে আবার, সেই রহম খোদার রমজান মাহিনা ধরা পেয়েছে আবার খরা পেরিয়ে জোয়ার— রহমত খজিনা। মাফ করিবে খোদায়; হাঁফ ছেড়েছে সবাই সিজদায় পড়ে আজ, পাপ নিয়াছে বিদায় সাফ হয়েছে হৃদয় কোলাহল করে রাজ। ছেড়ে শয়তানি কাম, পড়ে খোদার কালাম, চোখে পর্দা-দখল, হাতে তসবির দান, মুখে জপ সোবহান হাঁকে মসজিদে চল। দেখো জনম-খাদক; যার খাওয়াটাই শখ সদা খাই খাই রব, ডরে এক আল্লার—ঘরে থেকে অনাহার করে সুখ অনুভব। নিয়ে উপাদেয় সব, সবে রয়েছে নিরব পেটে ক্ষুধা-অস্থির— প্রভু দেয়নি আদেশ তাই করে সমাবেশ পড়ে দোয়া-তকবির। রব উঠে তসলিম, ওরে ওরে মুসলিম সম্ভাষে মালায়েক, সব জান্নাতি দ্বার খোলে প্রভু-করুণার ক্ষমে শত নালায়েক। লভে স্বর্গী সুবাস বহে মুক্ত বাতাস পুরো ধরণী অতল শুধু মুসলিম নয় যত ধর্ম ধরায় সেথা মিশেছে সকল।