সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

হে নারী

★হে নারী★

          -মুহাম্মদ সৈয়দুল হক


হে নারী! 

তুমি মা! তুমি গর্ভ ধারিণী

তুমি কুল মাখলুকাতের শিরমণি।

তুমি মহান, তুমি জনম দুঃখিনী

তোমার পায়ে লুকায়িত ঐ জান্নাত খানি।


হে নারী!

তুমি মা আয়েশা, তুমি রাবেয়া বসরি

তুমি আছিয়া, তুমি ফাতেমা জননী।

তুমি মরিয়ম, তুমি খাতিজাতুল ক্বোবরা

তুমি উম্মুল খায়ের, তুমি প্রথম শহীদ সোমাইয়া!

তোমার ত্বরেই টিকে আছে এ ধরণী।


হে নারী! 

তোমার মূল্য হীরার চেয়ে দামি

তুমি অসিমে সীমাহীন উচ্ছতায় গামী।

তোমার নিকট বসিভূত সুন্দর এ ভুমি

উচ্চতায় হিমালয়ের চেয়ে সু-উচ্চ তুমি!


হে নারী!

তুমি মা আমেনা! 

তোমার গর্ভে এসেছিলেন দয়াল নবি!

তুমি জনম দাও হাজার কোটি কবি।

পীর আউলিয়া দরবেশ পৃথিবীর যত রবি

বিজ্ঞানী সাহিত্যিক গবেষক মহামানবরা সবি

তুমি বিনে দেখতো না কেউ এ পৃথিবীর ছবি।


তবে কেন?

তোমার কারণে-

রাহাজানি, হয়রানি, মারমারি, নোংরামি

কেন এত জগন্যতা, কেন বদনামি?

     ভুলে আদর্শ হয়েছ বিপদগামী

              ছেড়ে পর্দা হচ্ছো জাহান্নামী!

অশ্লিলতার জোয়ারে বইয়ে দিচ্ছো পাপের সুনামী।


জানো কি? 

তোমারঐ অশ্লিলতায় তোমার ধ্বংস

থরথরে কাঁপছে জমির তোমার নিম্নাংশ।

অশ্লিলতায় যখন হেলেদোলে তোমার দেহংশ

ওৎ পেতে থাকে যত শয়তানের বংশ!

রাস্তাঘাটে ধর্ষন, এটাই তো তোমার প্রাপ্য

       এটাই তোমার আধুনিকতার অংশ।


শোন মা বোন!

এসো সৎ পথে, কোরআন সুন্নাহ্ মতে

নাফরমানি আর নয় খোদা-রাসূলের সাথে।

ছাড় সব নোংরামি, কোরআন নাও হাতে;

পর্দা কর, উলঙ্গপনা ছাড়, জীবন গড় সুন্নাতে

অঙ্গে মাখো রাসূল আদর্শ তবেই যাবে জান্নাতে।


মনে রেখ!

অশ্লিলতা, পর্দাহীনা বড়ই বাড়াবাড়ি

কঠিন হাসর, কবর জগৎ অতি মহামারি।

থাকবেনা তো রূপের বাহার এই দুনিয়াদারি

সাড়ে তিন হাত মাটিই হবে তোমার বসতবাড়ি।


তাইতো বলি!

পর্দা কর, পর্দা কর, ওহে সকল নারী

বন্ধ কর নোংরামি, হও আদর্শ নারী।

অসৎ লেবাস ছেড়ে হও সৎ লেবাসধারী

তবেই হবে মরনের পর স্বর্গের অধিকারি।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

মসলকে আলা হযরত

বিষয়ঃ মসলকে আলা হযরতঃ একটি তাত্ত্বিক পর্যালোচনা। —মুহাম্মদ সৈয়দুল হক শিক্ষার্থী: জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসা। ফলপ্রার্থী: ফাযিল প্রথম বর্ষ ★প্রারম্ভিকাঃ  “তমসা ঘেরা এ দুনিয়ার মানুষ দেখিলো সেদিন পথ দীনের আকাশে উদিল যেদিন ‘মসলকে আলা হযরত’ বতুলতায় ভরা এ উপমহাদেশ পেয়েছে সেদিন দিশা রবিসম সে মসলক-গুণে কেটে গেছে অমানিশা।” যাবতীয় প্রশংসা সেঁ মহীয়ান সত্ত্বা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদেরকে শ্রেষ্ঠ নবির শ্রেষ্ঠ উম্মত হিসেবে কবুলের পাশাপাশি শ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ ইমাম আলা হযরত (রহ.)’র মসলকে কবুল করেছেন। অগুনতি দরুদ ও সালামের নজরানা সেঁ দুজাহানের বাদশা নবি মুহাম্মদ (দ.) এর পাক কদমে, যাঁর অশেষ করুণায় তাঁরই নির্ধারিত যুগের মহান দিকপাল ইমাম আহমদ রেযা খাঁন (রা.)’র মসলকের শামীয়ানায় আমরা আশ্রিত। ইসলামের সকল যুগের সকল সূর্যসন্তানদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালামপূর্বক স্মরণ করছি যাঁর পথ-মত তথা ’মসলক’ নিয়ে লিখতে বসেছি, যুগের সে মহান সংস্কারক, আঁধারে আলোকরশ্মি, দোজকের তাপদাহে জান্নাতি পবন, অথৈ সমুদ্রে জাহাজের কাণ্ডারিতুল্য ইমাম আহমদ রেযা খাঁঁন ব্রেলভী (রা.) কে, যিনি এ পৃথিবীতে না এলে ইসলাম-সূর্য এদ্দিনে হয়ত তাঁর...

প্রশংসিত ৮

 প্রশংসিত-৮ ১. আকাশে ঘনঘন বিদ্যুতের চমক। আগুনের গোলার মতো আলোর রেখা। তিরের গতিতে ছোটে গিয়ে এক জায়গায় অদৃশ্য। যেন দক্ষ শিকারির তাক করা অলঙ্ঘনীয় অভীষ্ট। মিস হওয়ার সুযোগ-ই নেই। মক্কার আকাশে এমন অগ্নিতিরের গতিবিধি বেড়ে গেছে কিছুদিন ধরে। জিন-শয়তানদের মাঝে চরম হতাশা! আকাশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে পালিয়ে মরছে। আত্মগোপনের চেষ্টায় মগ্ন কেউকেউ। দুষ্টু জিনদের একদলের সাথে অপর দলের সাক্ষাৎ হলো। বন্ধুগণ, ঘটনা কী? আমাদের প্রতি উল্কাবৃষ্টি শুরু হলো কেন হঠাৎ? শয়তানের সাহায্যে ফেরেশতাদের গোপন কথায় আড়িপাতা কঠিন হয়ে পড়েছে ইদানীং। গণকদের কাছে তথ্য সরবরাহ করতে পারছি না। এই কারণে তাদের অত্যাচার সহ্য করতে হচ্ছে। অপরদল শোনালো বিষ্ময়কর দুঃসংবাদ! আপন সম্প্রদায়কে সতর্ক করে বললো—আড়িপাতা বন্ধ করো। “আমরা ফেরেশতাদের মুখে এমন এক কিতাবের পাঠ শুনেছি, যা ইতোপূর্বের কিতাবগুলোকে সত্যায়িত করে এবং সত্য ও সরল পথের দিশা দেয়।” (সুরা ৪৬: ২৯-৩০)। অতঃপর হতাশ জিনসকল হেদায়েতের আশায় মক্কায় নেমে আসতে শুরু করলো… ২. ছোটোখাটো এক পূজোমণ্ডপ। মূর্তির উদ্দেশে সেখানে বাছুর বলি হয়েছে। কাচা মাংসের ভাগ নিতে উপস্থিত মক্কার অন্যতম বীরশার...

রমজান মাহিনা

রমজান মাহিনা —মুহাম্মদ সৈয়দুল হক দ্বারে এসেছে আবার, সেই রহম খোদার রমজান মাহিনা ধরা পেয়েছে আবার খরা পেরিয়ে জোয়ার— রহমত খজিনা। মাফ করিবে খোদায়; হাঁফ ছেড়েছে সবাই সিজদায় পড়ে আজ, পাপ নিয়াছে বিদায় সাফ হয়েছে হৃদয় কোলাহল করে রাজ। ছেড়ে শয়তানি কাম, পড়ে খোদার কালাম, চোখে পর্দা-দখল, হাতে তসবির দান, মুখে জপ সোবহান হাঁকে মসজিদে চল। দেখো জনম-খাদক; যার খাওয়াটাই শখ সদা খাই খাই রব, ডরে এক আল্লার—ঘরে থেকে অনাহার করে সুখ অনুভব। নিয়ে উপাদেয় সব, সবে রয়েছে নিরব পেটে ক্ষুধা-অস্থির— প্রভু দেয়নি আদেশ তাই করে সমাবেশ পড়ে দোয়া-তকবির। রব উঠে তসলিম, ওরে ওরে মুসলিম সম্ভাষে মালায়েক, সব জান্নাতি দ্বার খোলে প্রভু-করুণার ক্ষমে শত নালায়েক। লভে স্বর্গী সুবাস বহে মুক্ত বাতাস পুরো ধরণী অতল শুধু মুসলিম নয় যত ধর্ম ধরায় সেথা মিশেছে সকল।