সুফিবাদ বনাম উগ্রতা: শান্তির ইসলাম বনাম বাড়াবাড়ি পনেরো শাবান। ফেসবুকের টাইমলাইন টানছিলাম। চোখে পড়লো এক অদ্ভুত শিরোনাম। “শবে বরাতের একটি রোজা আপনাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবার জন্য যথেষ্ট!” আঁতকে ওঠলাম। ঢুকলাম বয়ানে। মাথায় টুপি, চিবুকে দাঁড়িওয়ালা লোকটি বলছে, “শবে বরাত বেদাত। কুরআন-হাদিসের কোথাও নাই। পালন করলে জাহান্নাম নিশ্চিত।” নিচে হেডলাইনে বক্তার নাম দেখি—শায়ক আবদুর রাজ্জাক। বুদ্ধি-বয়স থেকে শবে বরাতের রোজা বাদ যায়নি কখনও। যেখানে একটি রোজায় জাহান্নাম নিশ্চিত, সেখানে আমার জন্য অন্তত পনেরো-বিশটা জাহান্নাম ইতোমধ্যে বরাদ্দ হয়ে গেছে। হ্যা, বিগত পনের-বিশ বছর ধরেই তো নিয়ম করে পালন করছি শবে-বরাত। আম্মাজান মাগরিবের পরপরই বাড়ির সবাইকে জড়ো করে সিন্নি/হালুয়া পরিবেশন করেন। ওটার পর আবার রুটি-গোশত। এশার আজান দিলে সুগন্ধি লাগিয়ে মসজিদে রওনা। ফরজ, সুন্নাত পড়ে আরো বারো রাকাআত নামাজ। চার রাকাআত অন্তে দরুদ-মোনাজাত, তারপর হুজুরের বয়ান। শেষে মিলাদ-কিয়াম। গদগদ কণ্ঠে কাঁদতে কাঁদতে মোনাজাত! এতেই কি শেষ? এসবে সর্বোচ্চ ১১-১২টা বাজে। বাকি সময়টা কবর জিয়ারত, আশেপাশের বুজুর্গ অলিদের মাজার জিয়ারত, কুরআন তি...